এক শালিক দেখা অশুভ কেন, দুটি দেখলে মঙ্গল হয়?

ঘুম থেকে উঠে সাতসকালেই যদি একটি শালিক দেখেন, তাহলে মন খারাপ হয়ে যায়। আর দুটি শালিক বা জোড়া শালিক যদি দেখেন, তাহলে কিন্তু সবার অজান্তেই মন ভালো হয়ে যায়। কিন্তু কেন এমন হয়? এই ধারণার কি কোনো ভিত্তি আছে? এই প্রশ্নও উঠেছে।
জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, পশুপাখিদের সঙ্গে মানুষের জীবন জড়িয়ে রয়েছে। এমন অনেক পশু বা পাখি রয়েছে যারা এই ইন্টারনেটের যুগেও আগাম সংবাদ বয়ে আসে। সুসংবাদ যেমন আনে- তেমনই দুঃসংবাদ নিয়ে আসে।

শালিক পাখি গ্রামের পাশাপাশি শহরেও দেখতে পাওয়া যায়। গ্রামের পাশাপাশি শহরেও শালিক পাখি নিয়ে সংস্কার রয়েছে। অনেকেই বলেন এক শালিক অশুভ, জোড়া শালিক শুভ আর তিন শালিক চিঠি বা অতিথির আগমণ বার্তা নিয়ে আসে। আর চার শালিক আনন্দের সংবাদ নিয়ে আসে। তবে এই ধারণা যে শুধুমাত্র বাংলাদেশ কিংবা ভারতীয় উপমহাদেশে এমনটা কিন্তু নয়। ছোটবেলা শোনা একটি কবিতাই ইঙ্গিত দেয় বিদেশেও শালিক বা ময়না নিয়ে অনেক সংস্কার রয়েছে।

আসলেই সকল মানুষ – চরম নাস্তিক মানুষও চান তার জীবন যেন সুন্দরভাবে চলে। তার মর্জি মতো চলে। তাই দুর্বল মনের মানুষরা অনেক সময়ই নানা সংস্কারের আশ্রয় নেয়। নিজের মনের ভাব লুকাতে পারেন না। কিন্তু শক্ত মনের মানুষরা তেমন কিছু প্রকাশ করেন না বটে কিন্তু তারাও মনের অজান্তেই একাধিক সংস্কার মেনে চলেন। তবে সকালে উঠে যদি কোনো পাখিকে একা একা ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় তাহলে মন খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক বিষয়।

একটা বিষয় খেয়াল করে দেখবেন, শালিক পাখি কিন্তু একা একা থাকে না। এরা সাধারণত দুটি একসঙ্গে থাকে। অথবা দলবদ্ধ হয়ে থাকে। তাই প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী এক শালিক খারাপ ইঙ্গিত দেয়।

যাইহোক ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্রে তেমন কোনো উল্লেখ না থাকেও এক শালিককে অশুভ বলে ধরে নেয়া হয়েছে। আর জোড়া শালিক বা দুই শালিককে শুভ বলে মনে করা হয়। সকালবেলা বা কোনো শুভকাজ বা পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে যদি দুটি শালিক একসঙ্গে দেখতে পাওয়া যায় তাহলে কিন্তু মন ভালো হয়ে যায়। আর সেই কাজে আপনি নিজের অজান্তেই শতাং< দিয়ে থাকেন। তাতে কাজটি কিন্তু আদতে ভালোই হয়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*